অনলাইনে বসে যে ভয়ঙ্কর বিপদ ডেকে আনছেন!

0
87
অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার অথচ এই অ্যাপগুলি ডাইনলোড না করার ভুল কাজটা করলেন কিভাবে?
অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার অথচ এই অ্যাপগুলি ডাইনলোড না করার ভুল কাজটা করলেন কিভাবে?

বর্তমানে বেশিরভাগ সময়ই সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় পার করে থাকেন ব্যবহারকারীরা। ফলে বাড়ছে সোশ্যাল মিডিয়া বা অনলাইনে প্রতারণার সংখ্যাও। ভুয়া মেসেজের মাধ্যমে বাড়ছে হানাহানি। কোনও কোনও সময় গ্রাহকদের অজান্তেই তারা জড়িয়ে যাচ্ছে কোনও অপরাধের সঙ্গে। তবে ব্যবহারকারীরা একটু সতর্ক থাকলে রুখে দেয়া যায় সোশ্যাল মিডিয়ার এই বিপদ। এজন্য মেনে চলতে হবে কয়েকটি পথ। চলুন দেখে আসি সে গুলো কি কি-

* সবকিছু শেয়ার করবেন না- 
অনেকেই ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপে তাঁদের পোস্টের প্রাইভেসি পাবলিক করে রাখেন। ফলে যা পোস্ট করেন তা যে কেউ দেখতে পারেন। যা থেকে বিপদ হতে পারে। এজন্য ফেসবুক, টুইটার বা ইন্সটাগ্রামে যা পোস্ট করছেন তার প্রাইভেসি চেক করুন। পোস্টের সেটিংসে গিয়ে যাদের সঙ্গে ছবিটি শেয়ার করতে চান তাদের একটি কাস্টম তালিকা তৈরি করুন। এতে নিজের প্রাইভেসি বাড়বে।

* সোশ্যাল মিডিয়ায় বন্ধুর সংখ্যা অল্প রাখুন- 
ফেসবুক বা ইন্সটাগ্রামে সবার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করবেন না। কোনও রিকোয়েস্ট এলে সেই প্রোফাইলটি আগে যাচাই করুন। কমন বন্ধুদের তালিকা দেখুন। তারপরই রিকোয়েস্ট গ্রহণ করুন।

* ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়ার আগে ভাবুন- 
ফেসবুক বা ইন্সটাগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়ার আগে কিছুক্ষণ ভাবুন। নিরাপত্তার স্বার্থে তা দিলেও Only Me করে রাখুন। নয়তো ভরসাযোগ্য যেসব বন্ধু আছেন তাদের সঙ্গেই শুধুমাত্র শেয়ার করুন। ইন্সটাগ্রামের ক্ষেত্রে প্রোফাইল প্রাইভেসি অন করে রাখুন। ফলে আপনার অনুমতি ছাড়া কেউ আপনার আপলোড করা ছবি বা ভিডিও দেখতে পারবে না।

* লগ আউট করুন- 
অনেকেই নিজেকের ব্যক্তিগত ল্যাপটপ বা ডেক্সটপ থেকে ফেসবুক খোলা রাখেন। লগ আউট করেন না। এতে বিপদের আশঙ্কা বেশি। ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্সেস করার পর তা লগ আউট করে রাখুন।

* একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না- 
মনে রাখার সুবিধার জন্য অনেকেই বিভিন্ন অ্যাকউন্টের জন্য একটাই পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকেন। এতে হ্যাকিংয়ের সুযোগ আরও বেড়ে যায়। বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। মনে রাখতে অসুবিধা হলে কোথাও লিখে রাখুন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY