হার্ট ভাল রাখে টকদই!

0
122

টকদই শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। দুধের এই বিশেষ প্রোডাক্টটি থেকে আরও অনেক উপকার পাওয়া যায়। ২০০-২৫০ গ্রাম টকদই থেকে আপনি পাবেন ১০০-১৫০ ক্যালোরি,২ কিলো স্যাচুরেটেড ফ্যাট,৩.৫ গ্রাম ফ্যাট,২০ গ্রাম শর্করা,৮-১০ গ্রাম প্রোটিন। বাড়তি পাওনা ভিটামিন ডি আর ক্যালসিয়াম। এবার জেনে নিন উপকারিতা-

১. যাঁদের হজমের সমস্যা তাঁরা অবশ্যই ডায়েটে রাখুন টকদই। খাওয়ার পর একবাটি টকদই যেমন খাবার হজমে সাহায্য করে তেমনি অন্য খাবারের পুষ্টিগুণ শোষণে সাহায্য করে। নিয়মিত টকদই খেলে পেটের যাবতীয় সংক্রমণ দূর করে।

২. শরীরে গুড ব্যাকটিরিয়া তৈরি করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় টকদই। আর আপনি যত কম রোগে ভুগবেন ততই সুস্থ থাকবে শরীর। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশনও কমায় এই খাবার।

৩. টকদইয়ে প্রচুর ক্যালসিয়াম আছে। এই মিনারেলস হাড় আর দাঁত মজবুত করতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়,ক্যালসিয়ামের সঙ্গে ফসফরাস মিশে বাচ্চাদের নতুন হাড়,দাঁত আরো সুগঠিত করতেও সাহায্য করে। রোজ একবাটি টকদই খেলে হাড়ের রোগ,বাত,হাড়ের ক্ষয় হবে না।

৪. টকদইয়ের মধ্যে থাকা ক্যালসিয়াম ওজন কমাতে সাহায্য করে। ক্যালসিয়াম শরীরে কর্টিসল তৈরি হতে দেয় না। অনেকেই জানেন না,শরীরে মেদ জমে কর্টিসলের জন্য। এভাবেই কর্টিসলের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে ওজন নিয়ন্ত্রণ করে টকদই। সঙ্গে কমায় হাইপার টেনসন।

৫. টকদই যেমন বাড়তি মেদ জমতে দেয় না তেমনি ধমনীতে জমা কোলেস্টরেল নষ্ট করে। এতে হার্ট ভালো থাকে।

৬. ত্বক আর চুল ভালো রাখতেও সাহায্য করে টকদই। এর মধ্যে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড খুসকি সমেত যেকোনো ফাঙ্গাল ইনফেকশন কমায়। টকদইয়ে থাকা ভিটামিন ই,জিঙ্ক,ফসফরাস রং উজ্জ্বল করে। রোদে পোড়া কালচেভাব কমায়।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY