বৈশ্বিক বিপর্যয়ের মাত্রা ০.২% অতিক্রম করেছে

0
163
ভারী বর্ষণ থেকে অতি ভারীবর্ষণ
ভারী বর্ষণ থেকে অতি ভারীবর্ষণ

পরিসংখ্যান বিশেষজ্ঞদের মতে, দুনিয়া ধ্বংসের রহস্যের সঙ্গে মানবজাতির বিরাজমান অবস্থা এক প্রধান কারণ। বিশেষজ্ঞরা এও বলেন, ‘নতুন প্রতিবেদন অনুসারে বৈশ্বিক বিপর্যয় ঘটার সামগ্রিক ঝুঁকি ০.২% অতিক্রম করে গেছে।’

এই ধারণা পৃথিবী ধ্বংসের যুক্তিতর্কের ওপর ভিত্তি করে আরোপিত। যেই যুক্তিতর্ক মূলত বর্তমান সময়ে জনসংখ্যার অনুপাতের ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে জনসংখ্যা কত হতে পারে তার ভিত্তিতে রচিত।

ইউনিভার্সিটি অব বার্সেলোনা এর গণিতবিদ ফার্গাসসিম্পসন যুক্তরাজ্যের ইংরেজি দৈনিক দ্য সানকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে প্রায় ১০০ বিলিয়ন মানুষ জন্মগ্রহণ করেছে এবং এরই মধ্যে মানব সম্প্রদায়তাদের লাইফটাইম এর অর্ধেক সময় পার হয়ে গেছে।’

আরভিক্সকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে ড. সিম্পসন বলেন, ‘ওপরে উল্লেখিত নিরপেক্ষ পরিসংখ্যান দেখে সমাজের অধিকাংশের মনে হতে পারে যে পৃথিবী ধ্বংসের এই মাত্রা খুবই ছোট।’

‘একটা সময়ে দুনিয়ার প্রায় ৮টি সার্বভৌম রাষ্ট্র পারমাণবিক অস্ত্র রাখার অবস্থায় ছিল (যার মধ্যে ছিল এমন এক নেতা যিনি তার পরিবারের সদস্যদের মৃত্যুদন্ড দিয়েছিলেন), দায়িত্বজ্ঞানহীন অবস্থান ও ভূমিকা এক কথায় খুবই বিপজ্জনক।’

‘বিশ্বে বর্তমান সময়ে যে সকল সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বা হচ্ছে সেগুলোর ব্যাপারে তৎপর তদন্ত চালানো দরকার।’
‘আমরা হয়তো আমাদের ভাগ্যের অনিবার্য লিখনীকে এড়াতে পারবোনা কিন্তু আমাদের ব্যক্তিগত জীবনের প্রত্যাশার ব্যাপারে বিলীন হয়ে যাওয়ার হাত থেকে নিজেদের রক্ষার শক্তি আমাদের সাধ্যের মধ্যেই রয়েছে।’

এই বছরের শুরুতে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দাবি করা হয় যে, যদি মানব সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যায় তাহলে পৃথিবী নিজে থেকেই তার অভ্যন্তরীণ অবস্থার সংস্কার করবে কিন্তু এই প্রক্রিয়া হবে অত্যন্ত ভয়াবহ।
আরো বলা হয়, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অধিকাংশ আলো বন্ধ হয়ে আসবে এবং কয়েক মাসের মধ্যে দুনিয়া জুড়ে পারমাণবিক অস্ত্রের ঘাত প্রতিঘাত শুরু হয়ে যাবে। হাজার হাজার বছর পর মানুষের অস্তিত্বের প্রমাণ হয়তো চীনের মহাপ্রাচীর বা রাশমোর পর্বতের মতো পাথরে পাথরে বিরাজমান থাকবে।

ইউটিউবের বিখ্যাত চ্যানেল মাইন্ডওয়্যারহাউজ প্রকাশিত সেই ভিডিওর ব্যাপারে ড. সিম্পসন বলেন, ‘ওই ভিডিওটি ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলের ধারণকৃত ফুটেজ থেকে বানানো হয়েছে। যেটির কারণ ছিল অপ্রাসঙ্গিক।’

‘ভিডিওতে যেই অ্যানিমেশন যোগ করা হয়েছিল তা মূলত একটি টেলিভিশন সিরিজ থেকে নেওয়া হয়েছিল যেখানে বিজ্ঞানী, অবকাঠামো বিশেষজ্ঞ এবং অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা গবেষণা করেছিলেন যে, দুনিয়া থেকে মানুষ এর অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেলে পৃথিবীর রুপ কেমন হবে তার ওপর।’

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY