স্যামসাং ও এলজির পণ্য বাংলাদেশে উৎপাদন হবে

0
116

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, কোরিয়ার স্যামসাং ও এলজি ইলেক্ট্রনিক কোম্পানির সব পণ্য এখন বাংলাদেশেই উৎপাদন করবে। যৌথ উদ্যোগে এ কোম্পানি দুটি গড়ে উঠবে।

সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত অন সিয়ং ডুর সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোরিয়া বাংলাদেশে বড় ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে। কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনের (কেইপিজেড) পাশাপাশি কোরিয়ান বিনিয়োগকারীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোনে বিনিয়োগ করবে। বাংলাদেশে কারখানা স্থাপন করে পণ্য উৎপাদন করে রপ্তানি করলে বেশি লাভবান হবে কোরিয়া। এ মুহুর্তে কোরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ১৫০৬ দশমিক ৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের।

তিনি আরো বলেন, গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ দক্ষিণ কোরিয়ায় রপ্তানি করেছে ২৩৮ দশমিক ২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য, একই সময়ে আমদানি করেছে ১২৬৮ দশমিক ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য। দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের তৈরি বেশকিছু পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ডিউটি ও কোটা ফ্রি সুবিধা প্রদান করেছে। এ সুবিধা গ্রহণের জন্য ব্যবসায়ীক জটিলতা দূর করতে উভয়দেশ কাজ করে যাচ্ছে। উভয়দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির মাধ্যমে চলতি বাণিজ্য ব্যবধান কমানো হবে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রায় ২০০ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের ইপিজেডে বিনিয়োগ করেছে। আরো অনেক কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। স্পেশাল ইকোনমিক জোন কোরিয়ার বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হবে। এজন্য উভয়দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি করা হবে।

দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, কোরিয়ার বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে বেশ আগ্রহী। স্যামসাং ও এলজি ইলেক্ট্রনিক কোম্পানি যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে করে বাংলাদেশের সাথে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্য বাড়বে এবং বাণিজ্য ব্যবধান কমে আসবে। কোরিয়া এ বিষয়ে বাংলাদেশকে সবধরনের সহায়তা প্রদান করবে। কোরিয়া বাংলাদেশে ইলেক্ট্রনিক পণ্য উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো বড় ধরনের বিনিয়োগ করবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শুভাশীষ বসু এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY