‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এটি একটি বিরল সুযোগ’

0
7

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে তরুন ও কর্মক্ষম জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ। অর্থাৎ বর্তমানে বাংলাদেশ পপুলেশন ডিভিডেন্টের সুবর্ন যুগে অবস্থা করছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এটি একটি বিরল সুযোগ। এ সুযোগ সব সময় আসে না। তাই এ সূবর্ন সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিতকরনের মাধ্যমে ভারসাম্য উন্নয়ন গতিধারাকে সুসংহত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

বুধবার (১১ জুন) বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০১৮ উপলক্ষে ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ আহবান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে বিশিষ অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি বক্তব্য রাখেন।

স্পিকার বলেন, নারীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গাগুলোতে প্রাধান্য দিতে হবে। নারীদের জন্য এটা কোন সুযোগ নয়, এটা তাদের অধিকার। আর এ অধিকার প্রদানে সমান সুযোগ ও প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করা গেলে সমন্বিত উদ্যোগে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাবে।

স্পিকার বলেন, সমন্বিত উদ্যোগে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সামাজিক ও অর্থনৈতিক সকল সূচকে এগিয়ে যাচ্ছে, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ এমডিজি’র লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে । এরই ধারাবাহিকতায় ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য(এসডিজি) পূরণেও সক্ষম হবে।

শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রায় ৭.৫ বিলিয়ন জনসংখ্যা। বিপুল জনসংখ্যার বিপরীতে সীমিত সম্পদ দিয়ে বিশ্বে জনসংখ্যার সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা কঠিন কাজ। তিনি সকলের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে বিশ্ব শান্তি নিশ্চিত করতে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহবান জানান।

স্পিকার বলেন, সুস্থ্য ও সুন্দর জাতি গঠন, দারিদ্র দূরীকরণ ও নারীর ক্ষমতায়নে পরিবার পরিকল্পনার ভুমিকা গুরুত্বপূর্ন । তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিবার পরিকল্পনার সেবা প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত প্রসারিত করে সকলের সম্মিলিত প্রচেস্টায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানের আহবান জানিয়েছেন।

এর আগে স্পিকার বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস -২০১৮ এর শুভ উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে তিনি মাঠ পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ পরিবার পরিকল্পনা কর্মী, শ্রেষ্ঠ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ও মিডিয়া এওয়ার্ড ২০১৮ বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার ও ক্রেস্ট বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানশেষে তিনি পরিবার পরিকল্পনা মেলা-২০১৮ উদ্বোধন করেন এবং এ মেলার বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন।

স্সবাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব জি ,এম, সালেহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ আবুল কালাম আজাদ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী মোস্তফা সারোয়ার, ইউএনএফপিএর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. আশা টরকেলসন প্রমূখ।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY