প্রধানমন্ত্রীর পাশেও অনেক রাজাকার আছে

0
103

স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার সব জায়গায় রয়েছে, এমনকি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশেও অনেক রাজাকার আছেন। তাদের নাম বললে আগামীতে আমার দেশে ফেরাও বন্ধ হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বর্ষীয়ান সাংবাদিক, কলামিস্ট, ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো অমর একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ কালজয়ী এ গানের রচয়িতা ও ভাষাসৈনিক আব্দুল গাফফার চৌধুরী।

রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘সম্প্রীতি, বঙ্গবন্ধু ও বাঙালির বিজয়’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে আবদুল গাফফার চৌধুরী বলেন, এখন মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরির কথা বলা হচ্ছে। দেখা যাবে, এ তালিকা তৈরি করছে স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকাররা।মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকার আগে তাদের (জামায়াত, রাজাকার) তালিকা করা দরকার। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ভেতরে জামায়াতের লোক ঢুকে গেছে। তারা এখন বঙ্গবন্ধুর নাম বেশি বলে এমন অভিযোগ করেন তিনি। আওয়ামী লীগের ভেতরে এসব জামায়াতিদের বের করে দিতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে তারা আবারও সমস্যা সৃষ্টি করবে।

তিনি বলেন, তারেক রহমানের কত কোটি টাকা, আল্লাহ তা ভালো জানেন। তিনি লন্ডনে অসুস্থতার অজুহাতে থাকেন। আসলে তিনি সুস্থ। তারেক রহমান তার স্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর পরিকল্পনা করছে। তার স্ত্রী ভালো মানুষ।অনেক কষ্টে তার সংসার করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বাকশাল থাকলে ভালো হতো উল্লেখ করে এ ভাষাসৈনিক বলেন, বাকশাল করার তিন মাসের মধ্যে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে। এটি যাচাইয়ের সুযোগ পাননি। এটি প্রতিষ্ঠিত হলে দেশের হত্যা-সন্ত্রাস হতো না। পুঁজিবাদি মাথাচাড়া নিয়ে উঠত না।

আবদুল গাফফার চৌধুরী আরো বলেন, আওয়ামী লীগ একজনের ওপর টিকে রয়েছে, প্রধানমন্ত্রীকে সরিয়ে দেওয়া হলে আওয়ামী লীগ তাসের ঘরের মতো শেষ হয়ে যাবে। তাকে বারবার হত্যা করার ষড়যন্ত্র হয়েছে। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় না থাকলে এ দেশ আফগান হয়ে যাবে।আওয়ামী লীগে জামায়াত অনুপ্রবেশের তালিকা করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা থেমে নেই। আওয়ামী লীগের চতুর্থ ফেস ছিল বাকশাল, তার খারাপ-ভালো নির্ণয়ের সুযোগ দেয়নি খুনিরা। তবে বাকশাল থাকলে এমন অবস্থা তৈরি হতো না, দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র করার সাহস হতো না কারও। এখন আওয়ামী লীগের পঞ্চম ফেস চলছে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY