পহেলা বৈশাখ নাগালের বাইরে ইলিশ

0
133

ইলিশ উৎপাদন বাড়াতে চাঁদপুরসহ দেশের পাঁচটি অভয়াশ্রম এলাকায় জাটকা ইলিশ সহ ইলিশ আহরণ, পরিবহন ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে মৎস্য অধিদফতর।

তবুও বৈশাখকে ঘিরে বাজারে আসছে প্রচুর পরিমাণ ইলিশ। দামও আকাশচুম্বী। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে রমরমা বাণিজ্য হয় ইলিশের। তাই নদী থেকে অবাধে ধরা হচ্ছে ইলিশ, পাশাপাশি হিমাগারে সংরক্ষণ করা ইলিশও বাজারে আসছে।

রাজধানীর পুরান ঢাকার নয়াবাজার, শান্তিনগর কাঁচাবাজার, মালিবাগ বাজার ও কারওয়ান বাজার ঘুরে ইলিশের পর্যাপ্ত সরবরাহ দেখা গেছে। বড় আকারের ইলিশের সঙ্গে মাঝারি, ছোট ও জাটকা মাছ বিক্রি করতে দেখা গেছে এসব বাজারে।

অনেকেই ইলিশ কিনতে শুরু করেছেন। তাই দাম একটু বেশি। তবে বড় ইলিশের তুলনায় ছোট ও মাঝারি ইলিশের চাহিদা বেশি দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, মঙ্গলবার বড় আকারের এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হয় ১৮শ’ থেকে ২ হাজার টাকায়। তবে দুই সপ্তাহ ধরে এই আকৃতির ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১৩শ’ থেকে ১৪শ’ টাকায়। ৮০০ গ্রাম ওজনের এক পিস বিক্রি হয় এক হাজার টাকায়, গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৮০০ টাকায়। ৭০০ গ্রাম ওজনের এক পিস ইলিশ বিক্রি হয় ৭০০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৬০০ টাকায়। ৫০০ গ্রাম ওজনের এক পিস ইলিশ বিক্রি হয় ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া নিষেধাজ্ঞা থাকলেও জাটকাও বিক্রি হচ্ছে অবাধে, যা কেজিপ্রতি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়।

পহেলা বৈশাখ সামনে রেখে প্রতিদিন শত শত টন মিয়ানমারের ইলিশ ঢুকছে বাংলাদেশে। একই সঙ্গে হিমাগার আর মৎস্য ব্যবসায়ীদের ফ্রিজে থাকা হাজার হাজার মণ ইলিশ আসছে বাজারে। তারপরও দাম খুব একটা কমছে না।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY