ডেসটিনি কেন বিলুপ্ত হবে না, প্রশ্ন হাইকোর্টের

0
22

দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম বন্ধ থাকা মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কোম্পানি ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডকে কেন বিলুপ্তির আদেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এজিএম করতে বিলম্ব মার্জনা চেয়ে ডেসটিনির এক পরিচালকের করা আবেদনটি কেন বিলুপ্তির আবেদন হিসেবে রূপান্তরিত হবে না তাও জানতে চেয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার (১৫ মে) বিচারপতি এম আর হাসানের নেতৃত্বাধীন একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিস অ্যান্ড ফার্মস ও ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডকে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে।

ডেসটিনি বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠানে বিলম্ব মার্জনা চেয়ে ও বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠানের অনুমতি চেয়ে করা এক আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত এই আদেশ দেয়। আদালতে ডেসটিনির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ বি এম সিদ্দিকুর রহমান খান। ডেসটিনির বার্ষিক সাধারণ সভা চেয়ে আবেদনটি করেন সাবেক সেনাপ্রধান ও ডেসটিনি গ্রুপের সভাপতি হারুন-অর-রশিদ। ২০১২ সালে সাবেক এই সেনাপ্রধানকে ডেসটিনির কোনো কার্যক্রমে না জড়ানোসহ কয়েকটি শর্তে জামিন দেয় হাইকোর্ট।

আইনজীবী এ বি এম সিদ্দিকুর রহমান খান জানান, কোম্পানির সাত পরিচালকের মধ্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ দুজন কারাগারে আছেন। অপর চারজন পরিচালক পলাতক। দুদকের করা মামলা তদন্তাধীন অবস্থায় কোম্পানির কোনো কাজে সম্পৃক্ত থাকবেন না এমন শর্তে একজন পরিচালক জামিনে আছেন। এই অবস্থায় এজিএমের বিলম্ব মার্জনা চেয়ে আবেদনটি করেন কোম্পানির ওই পরিচালক হারুন-অর-রশিদ।

আইনজীবী বলেন, ডেসটিনির বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। ওই মামলার সূত্র ধরে কোম্পানির ব্যাংক হিসাব জব্দ রয়েছে। সম্পত্তিও জব্দ করা হয়েছে। এ অবস্থায় দৃশ্যত কোম্পানিটি ছয় বছর ধরে চলছে না।

ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমিন ও মোহাম্মদ হোসেনসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় দুটি মামলা করে দুদক। ২০১৪ সালের ৪ মে দাখিল করা অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়া হয়। এতে আসামি করা হয় ৫৩ জনকে। চার হাজার ১১৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং এর মধ্যে ৯৬ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ আনা হয় তাদের বিরুদ্ধে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY