উৎপাদনে যাচ্ছে এসেনসিয়াল ড্রাগস লিঃ

0
292

গোপালগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্নের এসেনসিয়াল ড্রাগস্ লিমিটেডের গোপালগঞ্জ প্রকল্প (তৃতীয় প্রকল্প) আগামী ৩০ জুলাই থেকে উৎপাদনে যাচ্ছে। প্রকল্পটি উৎপাদনে গেলে দেশের ৭৭৮ জন বেকারের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোনাপাড়ায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের বিপরীত পাশে ১০ একর জায়গার ওপর শুরু হয় এসেনসিয়াল ড্রাগস লিমিটেডের গোপালগঞ্জ প্রকল্পের (তৃতীয় প্রকল্প) কাজ। এ প্রকল্পে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ শত ৯৭ কোটি টাকা। প্রকল্পটি চালু হলে একদিকে দেশের বেকার সমস্যা দূর হবে, পাশাপাশি গোপালগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে।

অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের কাজের ৯৫ ভাগ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ ফাউন্ডারি অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস্ লিঃ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দ্বারা চলমান এ কাজ ইডিসিএল ঢাকা অফিসের ৬০ জন কর্মকর্তা সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইনভান্ট ইস্টাকচার লিঃ ও এশিয়ান প্যাসিফিক কনস্ট্রাকশনের কর্মকর্তারা এ কাজের নিয়মিত দেখাশোনা করছেন।

প্রকল্পটিতে চারটি ইউনিট থাকবে, যার একটিতে তৈরি হবে পেনিসিলিন, অপরটিতে হরমোন ইনজেকশন ও জন্ম নিয়ন্ত্রন বড়ি। তৃতীয়টিতে স্যালাইন ও অন্যটিতে আয়রন ট্যাবলেট। এখানে ২১টি ভবনের কাজ চলছে, এর মধ্যে ১২টি ভবনের কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে। আর এ প্রকল্পটি চালু হলে এখানে ৭৭৮ জন লোকের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।

প্রকল্পের উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক ও সাইট ইনচার্জ মাফিজুর রহমান শেখ বলেন, আমিসহ ইডিসিএলের ৬০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী সার্বক্ষণিক তদারকির মাধ্যমে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজ বুঝে নিচ্ছি। আমাদের পাশাপাশি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইনভান্ট ইস্টাকচার লিঃ ও এশিয়ান প্যাসিফিক কনস্ট্রাকশনের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক কাজের গুণগত মান পরীক্ষা নিরীক্ষা করছেন। যে কারণে কাজের মান সন্তোষজনক। আশা করছি এখানকার সবকিছু কর্তৃপক্ষের আশানুরূপ হবে।

গোপালগঞ্জ তৃতীয় প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক বিএম ইমাম হাসান বিডি২৪লাইভকে জানান, আশা করছি এ মাসের ৩০ জুলাই পেনিসিলিন ইউনিটের উৎপাদন কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে। পর্যায়ক্রমে বাকি তিনটি ইউনিটও উৎপাদনে যাবে।

ইতোমধ্যে প্রকল্পের ৯৫ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পের অভ্যন্তরে মাটি ভরাট, ভবনগুলোর সাজসজ্জা, বিদেশ থেকে আমদানি করা উন্নতমানের মেশিনারি মালামাল স্থাপন ও জনবল নিয়োগ সম্পন্ন করেই উৎপাদনে যাবে প্রকল্পটি। প্রকল্পটি উৎপাদনে গেলে দেশের ৭৭৮ জন বেকার ব্যক্তির কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এ প্রকল্পে উৎপাদিত উন্নতমানের মেডিসিন দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করার চিন্তাভাবনা রয়েছে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY