স্পেস স্টেশনের এক রাতের ভাড়া ৩৫ হাজার ডলার

0
6

নাসার বিজ্ঞানী না হয়েও ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে (আইএসএস) ভ্রমণ করার রাস্তা খুলেছে।

নাসা জানিয়েছে, টিকিট কেটে রকেটে করে আইএসএসে গিয়ে সর্বোচ্চ ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যাবে। তবে এর জন্য একরাতের ভাড়া গুণতে হবে ৩৫ হাজার ডলার (২৯ লাখ ৯৪ হাজার টাকা)। এই ভাড়ার মধ্যে থাকবে বাতাস, পানি, বাথরুম, নাসার লাইফ সাপোর্ট ও ইন্টারনেটের (এক গিগাবাইটের দাম ৫০ ডলার) খরচ।

এক বছরে শুধু দুজন ব্যক্তি মহাকাশ ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। তবে মহাকাশে যেতে হলে ভাড়া করতে হবে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক কোম্পানি যেমন এস্পেসএক্স বা বোয়িংয়ের নতুন মহাকাশ।

ভ্রমণকারী ছাড়াও কিছু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান আইএসএসে গিয়ে প্রচারণা চালানোর সুযোগ পাবে। যেমন মহাকাশে ভেসে বেড়ানো জিনিস বোতল বন্দী করে পৃথিবীতে নিয়ে এসে সেগুলো বিক্রি করতে পারবে।

কিছু প্রতিষ্ঠানকে শুধু অর্থের বিনিময়ে স্পেস স্টেশনে নিয়ে যাবে নাসা। এর জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা বা গবেষণাপত্র দেখা হবে না।

নাসার স্পেস স্টেশনের ডেপুটি ডিরেক্টর রবিন গ্যাটেন বলেন, আশা করছি একদিন অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান স্পেস স্টেশনের দায়িত্ব নেবে। তবে আমরা নতুন কোনো স্পেস স্টেশনে না যাওয়া পর্যন্ত এমন কিছু ঘটবে না।

গত মাসেই স্পেস স্টেশনে আলাদা একটি অংশ তৈরি করতে বাণিজ্যিক কোম্পানিগুলোকে কিছু প্রস্তাবনা জমা দেওয়ার আহবান জানায় নাসা। আলাদা অংশটির  সম্পূর্ণ মালিকানা পাবে একটি বাণিজ্যিক কোম্পানি। চলতি বছরের শেষেই ‌এ সংক্রান্ত পরিকল্পনা গ্রহণ করবে নাসা।

ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন হলো মানুষের বসবাসযোগ্য কৃত্রিম উপগ্রহ। সেখানে বসে বিজ্ঞানীরা জ্যোতির্বিদ্যা, মহাকাশযান ও ভবিষ্যতে মহাকাশে মানুষের অভিযান, মাইক্রোগ্র্যাভিটি, মহাকাশে জীবের টিকে থাকা, শারীরিক বিজ্ঞান, মহাকাশের আবহাওয়া ও পৃথিবীর আবহাওয়া প্রভৃতি নিয়ে গবেষণা চালান। আগামী ২০৩০ পর্যন্ত স্পেস স্টেশনটির কার্যক্রম চলবে।

রাতের বেলা তারার মতো উজ্জ্বল ও ধীরে ধীরে চলতে থাকা কৃত্রিম উপগ্রহটি পৃথিবীর মাটি থেকেও খালি চোখে দেখা যায়।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY