ভারতীয় সেনার জল-খাবারে বিষ মেশানোর ছক জঙ্গিদের

0
95

চূড়ান্ত সতর্কতা জারি ভারতীয় সেনাবাহিনীতে৷ এবার ভারতীয় সেনার জল ও খাবারে বিষ মেশানোর ছক কষেছে জঙ্গিরা৷ গোয়েন্দাদের থেকে এই তথ্য পেয়েই সতর্কতা জারি সেনাবাহিনীতে৷ নেপাল থেকে ভারতে ঢুকে হামলার ছক কষছে জঙ্গিরা৷ সেনার খাবার ও জলে বিষ মেশানোরও ছক কষছে পাকিস্তান মদতপুষ্ট জঙ্গিরা, সম্প্রতি এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য এসেছে গোয়েন্দাদের হাতে৷

ভারতীয় সেনা-জওয়ানদের খাবারে বিষ মেশাবার ছক রয়েছে জঙ্গিদের। সেনা ছাউনিতে যে পাইপ দিয়ে জল ঢোকে, জঙ্গিদের নজর সেই জলের পাইপেও৷ কোনওভাবে সেই জলে বিষ মিশিয়ে সেনাদের হত্যার ছক কষছে জঙ্গিরা৷ জঙ্গিদের ছক রুখতে সবরকমভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে সেনাবাহিনী৷ জঙ্গিদের গতিবিধির পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য জোগাড়ের চেষ্টায় মরিয়া গোয়েন্দারা৷ কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে ভারত-পাক সীমান্তে৷ শীতের মরশুমে বরফ পড়ার সুযোগে ওয়াগার ওপার থেকে যাতে কোনওভাবেই জঙ্গি অনুপ্রবেশ না হয় সে ব্যাপারে পাকিস্তান সীমান্তে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে৷ এ খবর দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম কলকাতা২৪।

শীতে বরফে ঢাকা গোটা কাশ্মীর৷ এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই ভারতে অনুপ্রবেশের জন্য ক্রমাগত চেষ্টা করে চালাচ্ছে জঙ্গিরা। সেনার নজর এড়িয়ে ভারতে ঢোকার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা৷ কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে৷ বিক্ষোভের আশঙ্কায় আগে থেকেই সতর্ক ছিল প্রশাসন৷ তড়িঘড়ি কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় কার্ফু জারি করে, ইন্টারনেট, কেবল টিভির সম্প্রচার বন্ধ করে দিয়ে আন্দোলন-বিক্ষোভ দমনে ব্যবস্থা নেয় প্রশাসন৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাশ্মীরে সব রাজনৈতিক দলের সভা-মিছিলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রশাসন৷ শুধু তাই নয়, একাধিক রাজনৈতিক দলের নেতাকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়৷ যদিও কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ নিয়ে বিতর্কও রযেছে বিস্তর৷ কেন্দ্র বিরোধী দলগুলির দাবি, কাশ্মীরে দমন-পীড়নের নীতি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার৷

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY