দীর্ঘ সময় দেশের নেতৃত্ব দেওয়া রাষ্ট্রপ্রধান

0
37

বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনা চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন। প্রায় তিন যুগ ধরে তিনি দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তার জীবননাশের জন্য কমপক্ষে ২১ বার হামলা হয়েছে।

২০০৪ সালের গ্রেনেড হামলা থেকে প্রাণে বেঁচে গেলেও তিনি আহত হয়েছেন। করাবরণ, কারা নির্যাতন ভোগ, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়েই তিনি দৃঢ়চিত্তে এগিয়ে চলেছেন সেই ছাত্রজীবন থেকেই। মুক্তিযুদ্ধের সময় আট মাস বন্দি ছিলেন সপরিবারে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু নিহত হলে তৎকালীন পশ্চিম জার্মানিতে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা। সে সময় তাকে দেশে ফিরতে দেওয়া হয়নি। ছয় বছর ভারতে থাকার পর ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগ পুনর্গঠন করেন।

১৯৯০ সালে এরশাদ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, ১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন, ২০০৭ সালে গ্রেপ্তার, ২০০৮ সালের ১২ জুন মুক্তি এবং ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে তার নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৬৪টি আসন লাভ করে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করে তার নেতৃত্বাধীন জোট। এর পর ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশতম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেন।

ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একমাত্র নারী নেতা হিসেবে শেখ হাসিনা দক্ষতার সঙ্গে ইসলামি ঐতিহ্য ও নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন। নারীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা, শিক্ষায় আরও সহায়তা দেওয়া, আর্থিক স্বাধীনতা এবং রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে কাজ করছেন তিনি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার এমন সাফল্য এটাই প্রথম নয়। এর আগেও নানা বৈশ্বিক সম্মাননা লাভ করেছেন তিনি। ২০১৪ সালে তিনি বিশ্বের ক্ষমতাধর ১০০ নারীর তালিকায় ৪৭তম স্থানে ছিলেন। ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িকী ফরেন পলিসির করা বিশ্বের নেতৃস্থানীয় ১০০ চিন্তাবিদের তালিকায় স্থান পান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকার জন্য এ তালিকায় ‘ডিসিশন মেকার্স’ ক্যাটাগরিতে বিশ্বের শীর্ষ বুদ্ধিজীবীদের তালিকায় উঠে আসে তার নাম।

শেখ হাসিনা সম্পর্কে ফরেন পলিসি বলেছে, সারাবিশ্বের তুলনায় বাংলাদেশে মাত্র দশমিক ৩ শতাংশ কার্বন নির্গমন হয়। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি হয়ে দেশটির ১ কোটি ৮০ লাখ নাগরিক বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। অলস সময় পার না করে ৩০ শতাংশ দারিদ্র্যসহ অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিবেশ সুরক্ষাকে একটি জাতীয় অগ্রাধিকারে পরিণত করেছেন। এ জন্য তিনি জাতিসংঘের চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার পেয়েছেন।

মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস তাকে ‘লেডি অব ঢাকা’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছে, তিনি রোহিঙ্গা জনগণের সাহায্যের অঙ্গীকার করেন এবং রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানের জন্য দুই হাজার একর ভূমি বরাদ্দ করেন, যা মিয়ানমারের অং সান সু চির সম্পূর্ণ বিপরীত। এতে বলা হয়, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশের গণহত্যার কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বিপুল ব্যয় সত্ত্বেও তার দেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে গৌরববোধ করছেন এবং ইতোমধ্যেই তাদের আইডেন্টিফিকেশন কার্ড এবং শিশুদের টিকাদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাধারণ মানুষের মাঝে মিশে যাওয়ার ক্ষমতা, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সাহসিকতা আর ব্যক্তিত্বের জন্য দেশ-বিদেশের নামকরা প্রতিষ্ঠান থেকে পেয়েছেন নানা সম্মাননা আর তার চেয়েও বড় সাধারণ মানুষের ভালোবাসা।

আলী খামেনি: সৈয়দ আলী হোসেনি খামেনি ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা এবং শিয়া মুসলমানের আধ্যাত্মিক নেতা। সৈয়দ আলী খামেনি ইরানি বিপ্লব চলাকালীন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা এবং বিপ্লবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছিলেন। ইরানে ইসলামি শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর, তিনি পর পর সংস্কার কমিশনের সদস্য, উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী, সংস্কার রক্ষী বাহিনীর সেনাপ্রধান, তেহরানের ইসলামি ধর্মীয় নেতা, ইসলামি সংসদের স্পিকার ও সর্বোচ্চ প্রতিরক্ষা কমিশনে খোমেনির প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ পর্যন্ত তিনি ইরানের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ইরান-ইরাক যুদ্ধ চলাকালীন সফলভাবে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হন। এই যুদ্ধে সাদ্দাম হোসেনের ইরাক বর্তমান ও আগের পরাশক্তিগুলোর সমর্থন পেলেও কৌশলগত দিক থেকে তারা ইরানের কাছে পরাজয় বরণ করে। রুহুল্লাহ খোমেনির উত্তরসূরি হিসেবে তার মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি দেশটির সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ক্ষমতাধর ব্যক্তি।

ডা. মাহাথির মোহাম্মদ: এশিয়ার অন্যতম সফল রাষ্ট্রনায়ক মনে করা হয় তাকে। তিনি ১৯৮১ সালে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন দল পরপর পাঁচবার সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। তিনি এশিয়ার সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ২০০৩ সালে তিনি স্বেচ্ছায় প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেন। অবসর গ্রহণের দীর্ঘ ১৫ বছর পর ৯২ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের ব্যাপক দুর্নীতি-সংশ্লিষ্টতার কারণে মাহাথির মোহাম্মদ আবারও আসেন রাজনীতিতে। ২০১৮ সালে সাধারণ নির্বাচনে জয়ের পর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। এরই মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নির্বাচিত নেতা হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন তিনি। ২১ বছর বয়সে রাজনীতি শুরু করেন মাহাথির মোহাম্মদ। তখন তিনি তার সাবেক দল ইউনাইটেড মালয়িস ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনে (ইউএমএসও) যোগ দেন। যদিও পরবর্তী সাত বছর একজন চিকিৎসক হিসেবে প্র্যাকটিস অব্যাহত রাখেন। ১৯৬৪ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তার টানা ২২ বছরের শাসনামলে অর্থনৈতিক সাফল্য তাকে মালয়েশিয়ায় অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তোলে। তাকে আখ্যায়িত করা হয় আধুনিক মালয়েশিয়ার স্থপতি হিসেবে।

আঙ্গেলা মেরকেল: জার্মানির প্রথম নারী চ্যান্সেলর। পড়াশোনা করেছেন পদার্থবিজ্ঞানে। পরবর্তী সময়ে মেরকেল বার্লিনে অবস্থিত জার্মান বিজ্ঞান একাডেমিতে ভৌত রসায়ন বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা নেন এবং এখানেই তার কর্মজীবন শুরু করেন। কোয়ান্টাম রসায়নের ওপর গবেষণার জন্য ডক্টরেট ডিগ্রি পান। সহপাঠী উলরিশ মেরকেলকে বিয়ে করেন। চার বছর পরই ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় তাদের। পরবর্তী সময়ে বিয়ে করেন কোয়ান্টাম রসায়নবিদ অধ্যাপক ইওয়াখিম সাওয়ারকে। ১৯৯০ সালে, দুই জার্মানি তখন এক হওয়ার পথে। সে বছরই ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন দলে যোগ দেন মেরকেল। দলের সাধারণ সদস্য থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য, তারপর মন্ত্রী, সিডিইউ দলের প্রধান এবং চ্যান্সেলর- এত অর্জন ধরা দিতে সব মিলিয়ে ১৫ বছরও লাগেনি। ২০০৫ সালে যখন প্রথমবার চ্যান্সেলর নির্বাচিত হলেন অনেকের মনেই সংশয় ছিল, এমন দায়িত্ব পালন করতে পারবেন তো? মেরকেলের ব্যক্তিত্ব আর নেতৃত্বগুণে তৃতীয় মেয়াদে রয়েছেন ক্ষমতায়। আঙ্গেলা মেরকেল ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে যে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন, তাতে তার প্রতি সারা ইউরোপবাসীর আস্থা বেড়েছে।

রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান: তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী (২০০৩-১৪) এবং বর্তমান রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান ১৯৫৪ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ১৫ বছর বয়স থেকেই তিনি ইসলামি রাজনৈতিক আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। পরে ইসলামি ধারার ওয়েলফেয়ার পার্টির অধীনে ইস্তাম্বুলের মেয়র হন ১৯৯৪ সালে। ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে তিনি জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। অল্প দিনের মধ্যেই দলটি ব্যাপক জনসমর্থন অর্জন করে এবং ২০০২, ২০০৭, ২০১১ ও ২০১৪ সালের সংসদীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়। তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্যিক প্রবেশাধিকারের চুক্তি, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও লিরার (তুর্কি মুদ্রা) মূল্য পুনর্নিধারণ, সুদের হার কমানো, অতীতে অট্টোমান শাসনাধীন দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন প্রভৃতি কারণে বিশ্বমহলে তিনি ব্যাপকভাবে প্রশংসিত।

মাহমুদ আব্বাস: ২০০৪ থেকে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) সভাপতি এবং ২০০৫ থেকে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষের প্রধানমন্ত্রী এবং পিএলও সমঝোতাবিষয়ক অধিদপ্তরের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ফাতাহ পার্টির একজন সদস্য। মাহমুদ আব্বাসের জন্ম ১৯৩৫ সালের ২৬ মার্চ মেন্ডটরি ফিলিস্তিনের (বর্তমানে ইসরায়েল) গালিলি অঞ্চলের সফেদে। ১৯৪৮ ফিলিস্তিন যুদ্ধের সময় তার পরিবার সিরিয়ায় গমন করে। মিসরে যাওয়ার আগে আব্বাস দামেস্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছিলেন, সেখানে তিনি আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেন। ২০০৯ সালের মাহমুদ আব্বাসের প্রকৃত নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হয়।

ভ্লাদিমির পুতিন: ১৯৯৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বরিস ইয়েলৎসিন আকস্মিকভাবে পদত্যাগ করলে ভ্লাদিমির পুতিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে রুশ প্রজাতন্ত্রের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। ২০০০ সালে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়লাভ করে পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন। ২০০৪ সালে পুতিন দ্বিতীয় মেয়াদে পুনরায় রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। তার এ মেয়াদ শেষ হয় ২০০৮ সালে। কিন্তু সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতাজনিত কারণে তিনি ধারাবাহিকভাবে তৃতীয় মেয়াদের জন্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। পরবর্তী সময়ে ২০০৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তার উত্তরসূরি হিসেবে দিমিত্রি মেদভেদেভ বিজয় লাভ করেন। রাষ্ট্রপতি হয়ে মেদভেদেভ ভ্লাদিমির পুতিনকে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন। ২০১২ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পুতিন তৃতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। বর্তমানে তিনি চতুর্থ মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

পুতিন তার সময়কালে দেশটিতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এনেছেন। গতি এসেছে অর্থনীতিতে। দেশে আইনের শাসন প্রবর্তন ও স্থিতিশীলতা আনয়নের প্রেক্ষাপটে রুশ সমাজব্যবস্থায় তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। সেইন্ট পিটাসবার্গে ১৯৫২ সালের ৭ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন ভ্লাদিমির ভ্লাদিমিরোভিচ পুতিন। বাবা ছিলেন লোহা কারখানার ফোরম্যান আর মা ফ্যাক্টরি শ্রমিক। পুতিন কলেজ শেষ করার আগেই গোয়েন্দা বিভাগের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছিলেন। লেনিনগ্রাদ বিশ্বিবিদ্যালয়ের ল’ ডিপার্টমেন্ট থেকে ডিগ্রি নেওয়ার পর তিনি কিছুদিন সিকিউরিটি এজেন্সিতে কাজ করেছেন। এর পর বিভিন্ন ধাপ পার হয়ে তিনি তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সিতে যোগদান করেন। তবে পুতিনের জীবনের অতীত অনেকটাই চেপে যাওয়া হয়েছে যখন পুতিন রাশিয়ার সরকারপ্রধান হন! অর্থনীতিতে পিএইচডি এবং জুডোয় ব্ল্যাকবেল্টের অধিকারী পুতিন রুশ ছাড়াও জার্মান ও ইংরেজি ভাষায়ও কথা বলতে পারেন। সূত্র: আমাদেরসময়।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY