ট্রাম্পের ভিসা নিষেধাজ্ঞায় মার্কিন আদালতের স্থগিতাদেশ

0
15

সাংবিধানিক অধিকারের বাইরে গিয়ে কর্তৃত্ব খাটিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই যুক্তিতে তার ভিসা নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আদালত। অর্থাৎ বিভিন্ন সংস্থার ওপর বিদেশ থেকে কর্মী নিয়োগে যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন; তা আর কার্যকর রইল না।

ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞায় আদালতের এই স্থগিতাদেশের ফলে এখন জরুরি প্রয়োজনে বিদেশি নাগরিকদের চাকরি দিয়ে শূন্য পদগুলো পূরণ করা যাবে। খবর মার্কিন বার্তা সংস্থা এপির।

প্রথম দফায় ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশের নাগরিকদের কর্মসংস্থানের ওপরই বেশি জোর দিয়ে আসছিলেন ট্রাম্প। করোনা সঙ্কট এবং আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে গত জুনে প্রশাসনিক ক্ষমতার বলে সাময়িক ভাবে ভিসা প্রদান বন্ধের সিদ্ধান্তের ঘোষণা তিনি।

নতুন করে এইচ১বি, এইচ২বি, এল ১ এবং জে১সহ ভিসা প্রদান বন্ধের সিদ্ধান্ত সম্বলিত একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার ওই নির্বাহী আদেশের কারণে, এ বছরের শেষ পর্যন্ত আর কোনও ওয়ার্ক ভিসা দেয়া হবে না। এর ফলে মার্কিন নাগরিকদের জন্য পাঁচ লাখ ২৫ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তখন প্রতিবাদ করে তথ্য-প্রযুক্তি ও পণ্য উৎপাদনকারী সংস্থাগুলো। বিষয়টি নিয়ে আদালতের দারস্থ হয় ন্যাশনাল অ্যসোসিয়েশন অব ম্যানুফ্যাকচারার্স। ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে আইনবিরোধী অভিহিত করে এর ফলে সংস্থাগুলোর সঙ্কট ঘণীভূত হবে আদালতে জানানো হয়।

মামলার শুনানিতে ক্যালিফোর্নিয়ার নর্দান ডিস্ট্রিক্টের বিচারক জেফরি হোয়াইট রায় দেন সাংবিধানিক অধিকারের বাইরে গিয়ে এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন ট্রাম্প। দেশের অভিবাসন নীতি কী হবে, সংবিধান অনুযায়ী তা ঠিক করার দায়িত্ব একমাত্র কংগ্রেসের। প্রেসিডেন্টের হাতে তেমন কোনও ক্ষমতা দেয়া হয়নি।

আদালতের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান ন্যাশনাল অ্যসোসিয়েশন অব ম্যানুফ্যাকচারার্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট তথা জেনারেল কাউন্সেল লিন্ডা কেলি।

তিনি বলেন, ‘দক্ষ কর্মী খুঁজে এনে নিজ নিজ ক্ষেত্রে উদ্ভাবন ঘটানোয় গোটা বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে রয়েছি আমরা। যুক্তরাষ্ট্রকে যারা, এই উদ্ভাবনী শক্তির মূল স্তম্ভ হিসেবে দেখতে চায়, সাময়িকভাবে হলেও, সেই ম্যানুফ্যাকচারার্স কমিটি আজকের এই সিদ্ধান্তকে জয় হিসেবেই দেখছে।’এসএ

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY