চলন্ত বাইকে দুই বন্ধুর ‘ফেসবুক লাইভ’, করুণ পরিণতি

0
23

বর্তমান সময়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে মোটরসাইকেল পেয়ে তরুণ সমাজ অনেকটা বেপরোয়া জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। যার কারণে প্রায়ই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় অকাল মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে তারা। এদের মধ্য থেকে স্থান-কাল-পাত্র বোধ উধাও হয়ে গেছে। অনেক সময় তাদের চলন্ত বাইকেও ‘ফেসবুক লাইভ’ আসতে দেখা যায়। সম্প্রতি এমনই একটি ভিডিও ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে।

যদিও সেই ঘটনাটি ভারতের। তবে বাংলাদেশেও এমন বেপরোয়া বাইকারদের প্রতিদিন দেখতে পাওয়া যায়। আর যার করুণ পরিণতি হচ্ছে মর্মান্তিক মৃত্যু। কখনো এই সমস্ত বাইকাররা নিজে, আবার কখনো পথ চলতি মানুষের মৃত্যু হয়।

গত রবিবার রাতে ভারতের মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান এলাকায় মর্মান্তিক একটি ঘটনা ঘটেছে। চলন্ত বাইকে দুই বন্ধু ‘ফেসবুক লাইভ’ করতে গিয়ে প্রাণ গেল একজনের। অন্যজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।

মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান এলাকার ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর ‘ফেসবুক লাইভ’ করে বাইক চালাতে থাকে প্রিন্স জিশান নামের ওই যুবক এবং তার বন্ধু। এছাড়া ‘ফেসবুক লাইভ’ এ থাকা অবস্থায়ই তারা একটি রেস্টুরেন্টে ঢুকে খাবার খেয়ে নেন।

এরপর আবারও বাইক চালানোর সময় বেপরোয়া ড্রাইভ করতে গিয়ে ডাকবাংলো মোড়ের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে দুই বন্ধু। এ সময় তারা একটি ট্রাকে সঙ্গে ধাক্কা মারে বাইক। আর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় জিশানের। মারাত্মক আহত অবস্থায় তার বাইক চালক বন্ধু সামিরুল ইসলাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সেও জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে।

দুর্ঘটনার সময় নিহত জিশান ও তার গুরুতর আহত বন্ধুর মাথায় কোনো হেলমেট ছিল না। ‘ফেসবুকে লাইভে’ ব্যস্ত থাকায় হেলমেট না পড়ে বাইক চালানোর জেরেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশের ধারণা।

এই দুর্ঘটনার পর পরই জিশেনের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। পুলিশ এবং সচেতন মানুষ বলছেন, হেলমেট থাকলে অন্তত প্রাণটা বাঁচতে পারত জিশানের।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY