আবারও সামরিক পর্যায়ের বৈঠকে ভারত-চীন

0
14

আবারও সামরিক পর্যায়ের বৈঠকে ভারত-চীন

সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তে ভারত এবং চীনের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে সোমবার আবারও সামরিক পর্যায়ে বৈঠকে বসছে দুই দেশ।

ওই বৈঠকে দু’দেশের শীর্ষ স্থানীয় কমান্ডাররা যোগ দেবেন বলে জানানো হয়েছে। সীমান্তে অচলাবস্থা কাটাতেই এই বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগেও ভারত ও চীন সামরিক ও কূটনৈতিক পর্যায়ে কয়েক দফা বৈঠক করেছে। কিন্তু সীমান্তে উত্তেজনা নিরসনে দু’দেশ কোনো সমাধানে পৌঁছাতে পারেনি।

ফলে লাদাখে এখনও অবস্থান করছে দু’দেশের সেনাবাহিনী। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শংকর জানিয়েছেন, দীর্ঘ কয়েক দশক পর ভারত-চীন সীমান্তে এমন উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতিও অনেক বেশি জটিল হয়ে উঠেছে।

সোমবার লাদাখের চুশুলে দু’দেশের সেনা কর্মকর্তারা সপ্তম রাউন্ড বৈঠকে বসতে চলেছেন। নতুন করে যেন সীমান্তের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক না হয়ে ওঠে, নতুন করে যেন সংঘর্ষে না জড়িয়ে পড়ে দু’দেশ সে বিষয়ে আলোচনা করতেই বৈঠক হচ্ছে। ভারত চাইছে চীন নিজের অবস্থান বদলে পিছিয়ে যাক। কিন্তু এই প্রস্তাব মেনে নিতে রাজি নয় বেইজিং।

ভারত-চীনের মধ্যে এই উত্তেজনার মধ্যে চীনের সমালোচনা করে শনিবার আমেরিকার ন্যাশনাল সিকিওরিটি অ্যাডভাইজার রবার্ট ও’ব্রায়েন জানিয়েছেন, চীন এমন একটি দেশ, যারা কখনও শোধরাবে না। তাই ভারত যতই চেষ্টা করুক আলোচনার মাধ্যমে কোনও সমাধান বেরিয়ে আসবে না।

এদিকে বিতর্কিত পূর্বাঞ্চলীয় লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার আশপাশে চীন ৬০ হাজারের বেশি সৈন্য মোতায়েন করেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। শনিবার ভারতীয় সরকারি সংবাদ সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার (পিটিআই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, বেইজিংয়ের খারাপ আচরণ এবং ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য হুমকি হয়ে ওঠার সমালোচনাও করেছেন তিনি।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতীয়রা তাদের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তে চীনের ৬০ হাজারের বেশি সৈন্য দেখছে। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আধিপত্য ঠেকাতে আমরা একটি গ্রুপ দাঁড় করিয়েছি। এটাকে আমরা কোয়াড বলছি। চার বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ, চার শক্তিশালী অর্থনীতি ও চারটি দেশ যাদের প্রত্যেকের জন্য প্রকৃত হুমকি তৈরি করেছে বেইজিং।

তিনি বলেন, আমি ভারত, অস্ট্রেলিয়া, জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলাম। প্রত্যেকটি দেশ বেইজিংয়ের হুমকির মুখোমুখি হয়েছে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY