শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশি সমর্থকদের বিরূপ অভিজ্ঞতা?

0
57

শনিবার কলম্বোয় নিদাহাস ট্রফির তৃতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৫ উইকেটে পরাজিত করে বাংলাদেশ। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে ২১৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শেষ ওভারে গিয়ে জয়ের দেখা পায় সফরকারী টাইগাররা।

তবে ম্যাচ শেষে ঘটে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা। গ্যালারিতে থাকা জয়ের উল্লাসে মাতোয়ারা বাংলাদেশি সমর্থকদের সাথে হঠাৎ করেই গণ্ডগোল বাঁধান খেলা দেখতে আসা শ্রীলঙ্কান দর্শকরা। এতে মুহূর্তেই হতবিহবল হয়ে পড়েন উপস্থিত সবাই।

এ সময় বাংলাদেশের যে সমর্থকরা ছিলেন তারা নিদাহাস ট্রফি উপলক্ষ্যে আসরের আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কার মাটিতে নিজেদের দলকে সমর্থন জোগাতে চলতি মাসের শুরুতে বাংলাদেশ থেকে দ্বীপদেশ শ্রীলঙ্কায় পাড়ি জমান।

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচ শেষে পূর্বনির্ধারিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান চলাকালে গ্যালারিতেই অবস্থান করছিলেন বাংলাদেশ থেকে সমর্থন দিতে যাওয়া সমর্থক দলের সদস্যরা। এমন সময় তুহীন নামের এক সদস্যের সাথে হুট করে বিতণ্ডা বাঁধান শ্রীলঙ্কান সমর্থকরা। পাশাপাশি স্বাগতিক দলকে সমর্থন করতে মাঠে আসা দর্শকরা বাংলাদেশের অন্য সমর্থকদেরও শাসাতে থাকেন।

শ্রীলঙ্কান সমর্থকদের উগ্রতায় এক পর্যায়ে পরিস্থিতি চলে যায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ফলে মাঠে দায়িত্ব পালন করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীরা দৌড়ে ছুটে আসেন ঘটনাস্থলে। পরে তারাই শ্রীলঙ্কান সমর্থকদের শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বাংলাদেশের এক সমর্থকগোষ্ঠীর সদস্যরা উত্তেজিত হয়ে আছেন। ভিডিও তে দেখা যায় তুহিন নামের এক সদস্যকে মারা হচ্ছে বলে বলছিলেন অন্য এক সদস্য। এরপর সংগঠনটির কিছু সদস্য হামলার অভিযোগের কথা জানালেও অনেকে তা অস্বীকার করেন। তাদের দাবি কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন শ্রীলঙ্কার ক’জন সমর্থক।

উল্লেখ্য, শনিবার কলম্বোয় চলমান নিদাহাস ট্রফির তৃতীয় ও নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৫ উইকেটে হারায় মাহমুদউল্লাহ্‌ রিয়াদের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার ছুঁড়ে দেওয়া ২১৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৫ উইকেট ও ২ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় টাইগাররা। নিজেদের টি-২০ ক্রিকেটের ইতিহাসে এটিই টাইগারদের সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জয়ের ঘটনা। দলের জয়ে বড় অবদান রাখেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম এবং দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও লিটন কুমার দাস।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY