কোহলির কথাই কী ভারতীয় ক্রিকেটে শেষ কথা?

0
120

অনেকের মতেই বিরাট কোহলি ভারতীয় ক্রিকেটের সর্বেসর্বা। তার কথাই ভারতীয় ক্রিকেটে শেষ কথা। বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল থেকে বাদ পর ব্যাপক সমালোচনা হলেও ভারতীয় কোচ হিসেবে রবি শাস্ত্রীকেই রেখে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। অনেকের মতে বিরাট কহলির মন রাখতেই রবি শাস্ত্রীকে কোচের পদ থেকে সরায় নি বিসিসিআই। এরপর থেকেই রব উঠেছে কোহলিই ভারতীয় ক্রিকেটের সর্বেসর্বা। তার কথাই শেষ কথা।

বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়ার কোহলিদের কাছে জবাবদিহি চাওয়া হবে কি না? এই প্রশ্নে অনেকে এমন কথাও বলেছিলেন, জবাবদিহি আর কী হবে! ভারতীয় ক্রিকেটে কোহলিই তো সর্বেসর্বা।

এ ব্যাপারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রশাসকদের প্রধান বিনোদ রায় ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, কোহলির কাছে জবাব না চাওয়ার ধারণাটি সম্পূর্ণ ‘ভুল’। তিনিবলেন, ‘ভারসাম্য রাখতে পারলে তা ভালো। দল খারাপ করলে আমি মনে করি না সে দায় শুধু অধিনায়কের। দরজা বন্ধ করে অনেক আলোচনাই হয়েছে…আর তাই কোহলির কাছে কেউ বিশ্বকাপে (সেমিতে) হারের জবাব চায়নি, এমন ধারণা ভুল।’

ভারতের জাতীয় দলে কোচ নির্বাচনে কোহলির হস্তক্ষেপ নিয়ে বিস্তর সমালোচনা হয়েছে পুরো দেশজুড়ে। রবি শাস্ত্রীর প্রথম মেয়াদে কোচ হওয়ায় কোহলির সরাসরি হস্তক্ষেপ ছিল বলে মনে করে সংবাদমাধ্যম। কোহলির পছন্দ নয় বলেই অনিল কুম্বলেকে সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। দ্বিতীয় মেয়াদেও ঠিক একই কারণে শাস্ত্রীকে কেউ সরাতে পারেনি, এমন কথাও আলোচনা হয়েছে ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের কলামে। আর তাই বিনোদ রাইয়ের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, তাহলে সব সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার কি কোহলির ওপর?

কুম্বলের উদাহরণ টেনে বিনোদ রায় বলেন, ‘কুম্বলের চুক্তিপত্রে মেয়াদ বাড়ানোর কোনো শর্ত ছিল না। আমরা তা বাড়াতে পারব কি না, সেটি ছিল প্রশ্ন। ব্যক্তিগতভাবে আমি বাড়ানোর পক্ষে হলেও সঠিক প্রক্রিয়া মেনে করতে হতো। আমি সেটাই অনুসরণ করতে বলেছিলাম। কোচ হওয়ার আবেদনপত্র চাওয়া, সাক্ষাৎকার-পর্ব এবং তারপর সঠিক ব্যক্তিকে বেছে নেওয়া। আপনি আমাকে মূর্খ বলতে পারেন তবে সে সময় কোচ ও অধিনায়কের মধ্যে কী চলছে, তা আমি জানতাম না।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY