অবশেষে চ্যাম্পিয়নের মতো জিতল পিএসজি

0
9

প্রথম ম্যাচে লেন্সের কাছে ০-১ গোলে, পরের ম্যাচে মার্শেইর কাছেও একই ব্যবধানে হার। দ্বিতীয় ম্যাচটিতে আবার তিন লাল কার্ডের কারণে তিন খেলোয়াড়ের নিষেধাজ্ঞা। তৃতীয় ম্যাচে অতিরিক্ত যোগ করা সময়ের গোলে কোনোমতে ১-০ গোলের জয়। নতুন মৌসুমের প্রথম তিন ম্যাচ দেখে বোঝার উপায় ছিল না এই প্যারিস সেইন্ট জার্মেই’ই লিগের টানা তিনবারের চ্যাম্পিয়ন।

অবশেষে চতুর্থ ম্যাচে এসে যেনো গা ঝাড়া দিল থমাস টুখেলের শিষ্যরা। মাঠে দুর্দান্ত খেললেন করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত হওয়া কাইলিয়ান এমবাপে, তাকে দারুণ সঙ্গ দিলেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, মাউরো ইকার্দিরা। যার ফলে নাইসের মাঠ থেকে ৩-০ গোলের জয় নিয়েই বাড়ি ফিরতে পেরেছে পিএসজি।

রোববারের ম্যাচে এমবাপে গোল করেছেন একটি, তবে তিনি করতে পারতেন আরও বেশি। ম্যাচের ২৫ মিনিটের সময় ইকার্দির কাছ থেকে তিনি ফাঁকায় বল পেয়ে যান। তখন তার সামনে শুধুই গোলরক্ষক। কিন্তু লক্ষ্য বরাবর শট রাখতে পারেননি এমবাপে, উড়িয়ে মারেন বারের ওপর দিয়ে।

তবে এর কিছুক্ষণ পর এমবাপের গোলেই প্রথম লিড নেয় পিএসজি। ম্যাচের ৩৬ মিনিটের সময় ডি-বক্সের মধ্যে ফাউলের শিকার হন এমবাপে। সেখান থেকে পাওয়া পেনাল্টিতে দলকে এগিয়ে দেন ফরাসি তরুণ। চলতি লিগে এটি তার প্রথম গোল। এর দুই মিনিট পর বারপোস্টের কারণে দ্বিতীয় গোল পায়নি পিএসজি।

বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগে দিয়ে অবশ্য ব্যবধান ঠিকই দ্বিগুণ করে নিয়েছে লিগ ওয়ানের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ডি-বক্সের বাম পাশ দিয়ে ঢুকে জোরালো শট নিয়েছিলেন এমবাপে, সেটি ঝাঁপিয়ে রুখে দেন গোলরক্ষক। কিন্তু পুরোপুরি বিপদমুক্ত হয়নি। ফিরতি বল পেয়ে সহজেই বল জালে জড়ান আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড ডি মারিয়া।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে দলের তৃতীয় গোলে সহায়তা করেন ডি মারিয়া। ম্যাচের ৬৬ মিনিটের সময় ডান দিক থেকে নেয়া ডি মারিয়ার ফ্রি কিকে সরাসরি হেডে বল জালে প্রবেশ করান ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার মারকুইনহোস। এ গোলেই নিশ্চিত হয় পিএসজির দুর্দান্ত এক জয়।

চার ম্যাচে দুই জয় ও দুই পরাজয়ে পাওয়া ৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে এখন ৮ নম্বরে অবস্থান করছে পিএসজি। সমান ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে রেনে। সেইন্ট এতিয়েনের পয়েন্টও ১০, গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় তারা রয়েছে দুই নম্বরে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY