তারকাদের বাড়ির পূজার হালচাল

0
10

প্রতি বছর কলকাতার কয়েকজন বিখ্যাত তারকাদের বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয় দুর্গাপূজা। যার মধ্যে মল্লিক বাড়ির পূজা ভক্তদের কাছে স্পেশাল। তারকার বাড়ির পূজা কেমন, এ নিয়ে কৌত‚হলের কমতি থাকে না ভক্তদের মধ্যে। এই কৌত‚হল নিয়েই প্রতি বছর দর্শনার্থীর ঢল নামে কোয়েল মল্লিক, অভিজিৎ ভট্টাচার্য, সুদীপা চট্টোপাধ্যায়, ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে। কেমন হচ্ছে এবারের পূজা। তারই খোঁজ জানালো মেলা

মল্লিকবাড়ির পূজা এবার দ্বাররুদ্ধ

কোয়েল মল্লিক এবং রঞ্জিত মল্লিক। সঙ্গে যদি জামাই নিসপাল সিং রানের দেখা মেলে, উপরি পাওনা সেটা। পূজা দেখার পাশাপাশি এই তিন আকর্ষণের জন্য অষ্টমীতে তিলধারণের জায়গা থাকে না মল্লিকবাড়িতে। এ বছর সেখানেও রুদ্ধদ্বারে পূজা। মল্লিক বাড়ির সদস্যরা এক সঙ্গে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, ‘এই বছর প্রসিদ্ধ মল্লিকবাড়ির দুর্গাপূজা একটি পারিবারিক অনুষ্ঠান হতে চলেছে। বর্তমান পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে দর্শনার্থী ও সংবাদমাধ্যমকে আমরা আমন্ত্রণ জানাতে পারছি না। সবার সুরক্ষাকে প্রাধান্য দিয়েই আমাদের এই সিদ্ধান্ত।’ সদ্য করোনামুক্ত মল্লিক পরিবার এবং রানে। তাই বাড়তি সতর্কতা হিসেবে এটুকু তারা চাইতেই পারেন অনুরাগীদের থেকে।

বাড়ির পূজার ২৫ বছর

গায়ক অভিজিৎ ভট্টাচার্যের পূজা এ বছর ২৫-এ পা দিচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই জমকাল আয়োজনের কথা বছরের শুরু থেকেই ভেবে রেখেছিলেন তিনি এবং তার পরিবার। ভেস্তে গিয়েছে সেই পরিকল্পনা। লোখান্ডওয়ালায় এক ডাকে পরিচিত ভট্টাচার্য বাড়ির পূজা এবার একদম ঘরোয়া, জানিয়েছেন অভিজিৎ। তার যুক্তি, ‘করোনার এই সাংঘাতিক পরিস্থিতিতে অন্যবারের মতো করে উদযাপনের কথা ভাবতেই পারছি না। তাই মানুষের নিরাপত্তা আর সুস্থতার কথা ভেবে এ বছর পূজার চেনা উদযাপন বন্ধ রেখেছি আমরা।’

পাশাপাশি আশ্বস্ত করেন অনুরাগীদের, ‘এ বছরটা আমাদের কাছে ভীষণ স্পেশাল। কারণ এ বছর আমাদের বাড়ির পূজার ২৫ বছর হলো। তাই ভিড়ে ঠাসা উৎসব না হলেও এ বছরটা মানুষের পূজায় মাততে চাইছি। তাই আমাদের পূজার পুরনো উদযাপনগুলো থেকে সবটুকু আনন্দের মুহূর্তের কোলাজ একটা ভিডিওর আকারে মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি আমরা। আর পূজা বন্ধ তো কী হলো! গত ২৫ বছর ধরে মুর্শিদাবাদ থেকে যে ঢাকি, ডেকরেটরস, শিল্পীরা এসে আমার লোখান্ডওয়ালার পূজাকে এত জমকালো করে তুলেছেন, তাদের মুখের হাসি কি মলিন হতে দেয়া যায়? পূজায় তাদের মুখে হাসি ফোটানোর দায়িত্ব তাই আমরাই কাঁধে তুলে নিয়েছি।’

সার্বজনীন নয়, অভ্যন্তরীণ

পূজার আগেই অভিনেত্রী সুদীপা এবং তার স্বামী অগ্নিদেব সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে, এ বছর আমাদের চ্যাটার্জি বাড়ির পূজা একেবারেই পারিবারিক আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবদের মধ্যে সীমিত থাকছে।’ অর্থাৎ এ বছর সবার মঙ্গল চেয়ে অনুরাগীদের থেকে কিছুটা হলেও নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে সুদীপার মত, পূজাও ছোট করা হয়েছে আকারে। কারণ করোনা। তার জন্য চট্টোপাধ্যায় পরিবারের ভীষণ মন খারাপ। পূজার পাশাপাশি তারকাদেরও হাট বসে চট্টোপাধ্যায় পরিবারে। সেসবও দেখতে পাবেন না অনুরাগীরা? না, একেবারে হতাশ করছেন না তারকা দম্পতি। পূজার কিছু অংশ, পারিবারিক কিছু মুহূর্ত তারা দেখানোর চেষ্টা করবেন ভার্চুয়ালি।

নিরাপত্তার কথা ভেবেই ‘নো নিমন্ত্রণ’

অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়ের গ্রামের বাড়িতে ঘটা করে দুর্গাপূজা হয়। এ বছর পূজা ৮০ বছরে পা রাখছে। ‘আর এই বছরেই করোনা হতে হলো!’ পূজা নিয়ে তাই হালকা হতাশা প্রকাশ করেই ফেলেছিলেন অভিনেতা। তিনিই জানালেন, আত্মীয়-পরিজন ছাড়াও আশপাশ থেকে প্রচুর দর্শনার্থী আসেন। কলকাতা থেকেও ইন্ডাস্ট্রির অনেকে যান দেশের বাড়ির পূজা দেখতে। বেশি ভিড় হয় অষ্টমীর অঞ্জলির সময়। এবার সেসবে দাঁড়ি। হাতেগোনা কিছু মানুষ হয়তো পূজা দালানে পা রাখার অনুমতি পাবেন। একসঙ্গে অনেক জনকে ঢুকতে দেয়া হবে না। প্রত্যেকেই ঢুকবেন অবশ্যই নিরাপত্তা এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে। এ বছর সবার কথা ভেবে তাই ‘নো নিমন্ত্রণ’।

সার্বজনীন নয়, অভ্যন্তরীণ

পূজার আগেই অভিনেত্রী সুদীপা এবং তার স্বামী অগ্নিদেব সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে, এ বছর আমাদের চ্যাটার্জি বাড়ির পূজা একেবারেই পারিবারিক আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবদের মধ্যে সীমিত থাকছে।’ অর্থাৎ এ বছর সবার মঙ্গল চেয়ে অনুরাগীদের থেকে কিছুটা হলেও নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে সুদীপার মত, পূজাও ছোট করা হয়েছে আকারে। কারণ করোনা। তার জন্য চট্টোপাধ্যায় পরিবারের ভীষণ মন খারাপ। পূজার পাশাপাশি তারকাদেরও হাট বসে চট্টোপাধ্যায় পরিবারে। সেসবও দেখতে পাবেন না অনুরাগীরা? না, একেবারে হতাশ করছেন না তারকা দম্পতি। পূজার কিছু অংশ, পারিবারিক কিছু মুহূর্ত তারা দেখানোর চেষ্টা করবেন ভার্চুয়ালি।

নিরাপত্তার কথা ভেবেই ‘নো নিমন্ত্রণ’

অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়ের গ্রামের বাড়িতে ঘটা করে দুর্গাপূজা হয়। এ বছর পূজা ৮০ বছরে পা রাখছে। ‘আর এই বছরেই করোনা হতে হলো!’ পূজা নিয়ে তাই হালকা হতাশা প্রকাশ করেই ফেলেছিলেন অভিনেতা। তিনিই জানালেন, আত্মীয়-পরিজন ছাড়াও আশপাশ থেকে প্রচুর দর্শনার্থী আসেন। কলকাতা থেকেও ইন্ডাস্ট্রির অনেকে যান দেশের বাড়ির পূজা দেখতে। বেশি ভিড় হয় অষ্টমীর অঞ্জলির সময়। এবার সেসবে দাঁড়ি। হাতেগোনা কিছু মানুষ হয়তো পূজা দালানে পা রাখার অনুমতি পাবেন। একসঙ্গে অনেক জনকে ঢুকতে দেয়া হবে না। প্রত্যেকেই ঢুকবেন অবশ্যই নিরাপত্তা এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে। এ বছর সবার কথা ভেবে তাই ‘নো নিমন্ত্রণ’।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY